একটি দেশকে ব্রাজিল কখনোই হারাতে পারেনি!! জানলে আপনিও চমকে যাবেন!!

ফুটবল বিশ্বে সবচেয়ে নন্দিত দেশটির নাম ব্রাজিল। সারা বিশ্বের প্রতিটা দলেরই স্বপ্ন থাকে এই ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলা এবং তাদের হারানো। কিন্তু এই ব্রাজিলই আবার একটি দেশকে এখনো হারাতে পারেনি। ভাবতে পারেন সেই দেশটির নাম কি?

হ্যা, আপনার ধারনাতেও হয়তো না থাকা সেই দেশটির নাম নরওয়ে। এই নরওয়ের বিপক্ষে ব্রাজিল ৪টি ম্যাচ খেললেও একটিও জিততে পারেনি।

১৯৮৮ সালে প্রথম ব্রাজিল ও নরওয়ের ম্যাচে খেলাটি শেষ হয় ১-১ গোলে। এরপর দ্বিতীয় বার এই দুই দল মুথোমুখি হয় ৯ বছর পর। সেবার ব্রাজিলকে ৪-২ গোলে হারিয়ে দেয় নরওয়ে। সেই হারের প্রতিশোধ নেয়ার সুযোগ এসেছিল ব্রাজিলের সামনে ১৯৯৮ বিশ্বকাপে। কিন্তু সেবারও ব্রাজিল হেরে যায় ২-১ গোলে। ম্যাচটি ছিল গ্রুপ পর্বের।

এরপর সর্বশেষ ২০০৬ সালে ব্রাজিলের সাথে মুখোমুখি হয় নরওয়ে। এবারো নরওয়ের বাধা পার করতে পারেনি ব্রাজিল। ম্যাচটি শেষ হয় ১-১ গোলের সমতায়।

আরো পড়ুন

হটাৎ করে নিজ বাসায় সংবাদ সম্মেলন : বিএনপিকে সমর্থন করা নিয়ে এইমাত্র যে ঘোষণা দিলো মান্না!!

বিএনপিকে কোনো সমর্থন করা হবে না, এ ধরনের কোনো আলোচনা যুক্তফ্রন্টের বৈঠকে হয়নি বলে জানিয়েছেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না।

তিনি বলেন, সভায় এ ধরনের কোনো আলোচনা হয়নি। অথচ এই সংবাদটা প্রচার হলে আমাদের সামগ্রিক রাজনীতি ও আন্দোলনকে ড্যামেজ করে দিতে পারে।

শুক্রবার (২০ জুলাই) সকালে গুলশানে নিজ বাসায় সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন বিকল্প ধারার যুগ্ম-মহাসচিব মাহি বি. চৌধুরী।

মান্না বলেন, রাতে যুক্তফ্রন্টের বৈঠক শেষে একটি নিউজ দেখলাম, বিএনপিকে কোনো সমর্থন করা হবে না।

এ ধরনের কোনো আলোচনা সভায় হয়নি। অথচ এই সংবাদটা আমাদের সামগ্রিক রাজনীতি ও আন্দোলনকে ড্যামেজ করে দিতে পারে। এ ব্যাপারে ব্যাখ্যা দেওয়া উচিৎ মনে করে এই সংবাদ সম্মেলন করছি।

তিনি বলেন, দেশজুড়ে এখন শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থা চলছে। একটা সুষ্ঠু নির্বাচন যাতে হয়, যেটা সবার কাছে যেন গ্রহণযোগ্য হয়, সবাই অংশ নিতে পারে, এই সংগ্রাম আমরা বহুদিন থেকে করছি।

যেহেতু এই দায়িত্বটা সরকারের এবং সরকারের সঙ্গে নির্বাচন কমিশন আছে বলেই কমিশনও বহুলাংশেই সরকারের ওপর নির্ভরশীল।

বর্তমান নির্বাচন কমিশন সরকারের ওপর কতখানি নির্ভরশীল সেটা আপনারা দেখছেন। সেজন্যই এই দাবিটা সরকারের কাছেই দেওয়া উচিৎ।

মান্না বলেন, সর্বশেষ চাকরি প্রার্থী যুবকদের আন্দোলনের ওপরে যে নৃসংশতা হলো সেটা দেখার পরে সবাই মনে করে যে, এটার বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ হওয়া দরকার।

আমরা সম্মিলিত প্রতিরোধের পক্ষে আছি। আমরা মনে করি, এই দুটো বড় দল দিয়ে বা বড় জোট দিয়ে আমরা যে গণতন্ত্রের লড়াইটা করছি এটা তার যৌক্তিক অভিধায় পৌঁছাবে না।

অর্থাৎ এখন গণতন্ত্রের যে সংকট একটা সরকার বদলালেই যে সেই সংকট কেটে যাবে তা নয়। এই সংকটটা আসলে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মধ্যে আছে।

এ সংকটটা আমাদের পদ্ধতির মধ্যে আছে, সেটার পরিবর্তন করতে হবে। যারাই ক্ষমতায় যাবেন, তারা যদি একক নিরঙ্কুশ হয়ে যেতে যেতে পারেন এবং যাচ্ছেতাই করতে পারেন,

তাহলে গণতন্ত্র কখনই হবে না। এজন্য আমরা প্রথম থেকেই বলছি, দুটোর বিকল্প একটা শক্তি তৈরি করতে হবে। যে কেউ ইচ্ছা করলেই আর স্বৈরাচারী হয়ে উঠতে পারেন না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *